ধ্বংস হয়ে যাওয়ার জন্য একটি কারনও যথেষ্ট..!

হজরত কাব ইবনে উজরা (রা.) বলেন,
নবী করিম (সা.) বলেছেন,

তোমরা মিম্বরের কাছে একত্রিত হও।
আমরা উপস্থিত হলাম।

যখন তিনি মিম্বরের প্রথম স্তরে চড়লেন তখন বললেন, আমীন, ( হে আল্লাহ কবুল করুন) তারপর যখন দ্বিতীয় স্তরে চড়লেন তখনও বললেন, আমীন (হে আল্লাহ কবুল করুন) তারপর তৃতীয় স্তরে চড়ে
আবারও বললেন, আমীন (হে আল্লাহ কবুল করুন)

খুতবা শেষে যখন মিম্বর থেকে অবতরণ করলেন,
তখন আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আজ
আমরা আপনার থেকে এমন কিছু শুনলাম যা এর
পূর্বে আর কখনও শুনিনি। তখন তিনি বললেন,

আমার কাছে জিবরাইল (আ.) এসে বলল,

যে ব্যক্তি রমজান পেয়েও তাকে ক্ষমা করা হলো না-
সে বঞ্চিত (ধ্বংস) হোক। তখন আমি বললাম, আমীন
(হে আল্লাহ কবুল করুন)

অর্থাৎ রমাদান পেয়েও সে তার গুনাহ
ক্ষমা করাতে পারলো না! সে ধ্বংস হোক।

যখন দ্বিতীয় স্তরে চড়লাম তখন তিনি বললেন, যার কাছে আপনার নাম উল্লেখ করা হলো কিন্তু সে আপনার ওপর দরূদ পড়ল না- সেও বঞ্চিত (ধ্বংস) হোক। তখন আমি বললাম, আমীন (হে আল্লাহ কবুল করুন)

অর্থাৎ যে নবিজী সাঃ এর নাম শুনার
পর দুরুদ শরীফ পড়লো না! সে ধ্বংস হোক।

যখন তৃতীয় স্তরে চড়লাম, তখন তিনি বললেন,
যে পিতা-মাতাকে অথবা তাদের কোনো একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেয়েও তারা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারল না সেও বঞ্চিত (ধ্বংস)  হোক। তখন আমি বললাম, আমীন (হে আল্লাহ কবুল করুন)

অর্থাৎ যে তার বাবা মা অথবা কোনো একজনকে তার জীবদ্দশায় পেলো কিন্তু তাদের বা তার খেদমত করে জান্নাত কামাই করতে পারলো না সে ধ্বংস হোক

-বায়হাকি: ১৪৬৮

এই দোয়া সয়ং রব্বে কারীম নিজে করেছেন,
আর নবিজী সাঃ আমীন বলেছেন…

Leave a Reply

Your email address will not be published.