মুহিবুল্লাহ হত্যায় আটককৃতদের ৩ দিনের রিমান্ড

For English speakers
below given in English,

মুহিবুল্লাহ হত্যায় গ্রেফতারকৃত আরও ৩ রোহিঙ্গার তিন দিনের রিমান্ড

 

রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ হত্যায় গ্রেফতার আরও তিন জনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (৬ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালত তাদের রিমান্ডের আদেশ দেন।

তারা হলেন-উখিয়ার কুতুপালং লম্বাশিয়া-১ ইস্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্প ১৫ ব্লকের বাসিন্দা জকির আহমদের ছেলে জিয়াউর রহমান (২৫), লম্বাশিয়া ৮ ডাব্লিউ ক্যাম্পের এইচ ৫৪ নম্বর ব্লকের মৃত মকবুল আহমদের ছেলে মোহাম্মদ সালাম (৩২) এবং ৫ নম্বর ক্যাম্পের রজক আলীর ছেলে মো. ইলিয়াছ (২৮)।

এর আগে মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলায় উখিয়া থানা পুলিশের পক্ষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কার্তিক চন্দ্র গ্রেফতারকৃত তিন রোহিঙ্গাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। এ নিয়ে পৃথকভাবে একই মামলার মোট পাঁচ জনকে তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জর করলেন আদালত।

মুহিবুল্লাহ হত্যা: তিন মিনিটে শেষ হয় কিলিং মিশন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা এই তিন রোহিঙ্গাকে ক্যাম্প থেকে গ্রেফতার করে উখিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত গ্রেফতারকৃতদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গ্রেফতারকৃত দুই রোহিঙ্গা মোহাম্মদ সেলিম প্রকাশ ওরফে লম্বা সেলিম ও শওকত উল্লাহকে একই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন‍্য তাদের তিন দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।

১৪-এপিবিএনের অধিনায়ক পুলিশ সুপার নাইমুল হক জানান, মুহিব্বুল্লাহ হত্যায় সরাসরি জড়িতদের গ্রেফতারে চেষ্টা করছেন তারা। পুরো ক্যাম্পকে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আনা হচ্ছে। প্রতি রাতেই পুলিশ ও এপিবিএন টিম ক্যাম্পে ব্লক রেইড দিচ্ছে। সাধারণ রোহিঙ্গারা যাতে ভয়ভীতিতে না পড়ে সে দিকটাও নিশ্চিত করছে পুলিশ।

গত বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা মুহিবুল্লাহর নিজ অফিসে পাঁচ রাউন্ড গুলি করে। এ সময় তিন রাউন্ড গুলি তার বুকে লাগে। এতে তিনি ঘটনাস্থলে পড়ে যান। খবর পেয়ে এপিবিএন সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ‘এমএসএফ’ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র :-স্থানীয় সংবাদকর্মী

Three more Rohingya arrested in Muhibullah murder remanded for three days.

The court granted three days remand to three more people arrested in the killing of top Rohingya leader Mohammad Muhibullah. The court of Cox’s Bazar Senior Judicial Magistrate Tamanna Farah ordered their remand at 11.30pm on Wednesday (October 6).

They are Ziaur Rahman (25), son of Zakir Ahmad, a resident of Kutupalong Lambasia-1 East Rohingya Camp 15 block in Ukhia, Mohammad Salam (32), son of deceased Maqbool Ahmad of H54 block of Lambasia 8 W camp and Md. Ilyas (28).

Earlier, SI Karthik Chandra, investigating officer in the Ukhia police station case in the Muhibullah murder case, sought a 7-day remand in the court to interrogate the three arrested Rohingyas. The court remanded a total of five persons in the same case for three days separately.

Muhibullah murder: Killing mission ends in three minutes

Members of the Armed Police Battalion (APBN), who were in charge of security at the Rohingya camp, arrested the three Rohingyas from the camp and handed them over to the Ukhiya police station. Later, when they were handed over to the court, the court ordered that the arrested be sent to jail.

Two rohingyas arrested earlier, Mohammed Salim Prakash alias Lamba Salim and Shaukat Ullah, have been remanded for three days for questioning in the same case.

14-APBN captain Superintendent of Police Naimul Haque said they were trying to arrest those directly involved in the killing of Muhibbullah. The entire camp is being brought under the safe security force. Every night the police and APBN teams are giving block raid stakes in the camp. Police are also ensuring that ordinary Rohingyas are not intimidated.

At 8.30pm last Wednesday, unidentified gunmen shot five rounds at Muhibullah’s own office. At this time three rounds hit him in the chest. He fell on the spot. Apbn members rescued him and took him to MSF Hospital after receiving information. But the doctor on duty declared him dead.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *